মেডিটেশন সম্পর্কে এর আগে দুই একটা পোস্টে বলেছি । মেডিটেশনের মাধ্যমে আমরা মনকে একটা বিশেষ দিকে নিয়ে যেতে পারি এবং টেনশন ফ্রি থাকতে পারি । তবে অনেকে জানিয়েছেন তারা মেডিটেশন ঠিকমতো করতে পারছেন না? ফলস্বরূপ ঠিকঠাক রেজাল্ট পাচ্ছেন না । তাই আজ আরও সহজ একটি পদ্ধতির কথা বলবো, যেটার মাধ্যমে আপনার মুড ভালো হয়ে যাবে আপনি রিল্যাক্স ফিল করবেন তবে তারপর আপনি আবার সেই সমস্যাটা ফেস করবেন?
সমস্যা থেকে আপনি কখনো পালাতে পারবেন না , এটা সব সময় থাকবেই তবে এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে আপনার স্ট্রেস কমে যাবে তারপর ফ্রেশ মুডে সমস্যাটা কিভাবে সমাধান করা যাবে তা নিয়ে ভাবতে পারবেন।
এবার সেই পদ্ধতিটা বলি। এটা খুবই সহজ এবং ইফেক্টিভ। কানে হেডফোন দিয়ে একটা জায়গায় শান্ত হয়ে বসুন তারপর যে শব্দ শুনতে আপনার ভালো লাগে সেটা মোবাইলে চালিয়ে দিন । যেমন ধরুন বৃষ্টির আওয়াজ । আমার মনে হয় আপনাদের সবারই এই আওয়াজ টা ভালো লাগে। ইউটিউবে সার্চ করুন রেইন সাউন্ড এটা লিখে অনেক ভিডিও পেয়ে যাবেন। পার্সোনালি আমি মাঝে মাঝেই এটা শুনে খুবই কাজ করে আমার ক্ষেত্রে। ভিডিওটা চালিয়ে দিয়ে চোখ বন্ধ করে মন দিয়ে শোনার চেষ্টা করবেন এর ফলে আপনার মনোসংযোগ বাড়বে। এছাড়াও rainymood.com নামক একটা ওয়েবসাইট আছে, সেখানেও বৃষ্টির আওয়াজ শোনা যায় । সত্যি কথা বলতে এটাও এক ধরনের মেডিটেশন । এটা করার ফলে আপনার মধ্যে অনেক রিলাক্স ভাব আসবে তারপর যে কাজটা করবেন সেটা ভালো মুডের সাথে করতে পারবেন।
শুধুমাত্র বৃষ্টির আওয়াজ ই নয় আপনি যে কোন আওয়াজ শুনতে পারেন? যেমন পাখিদের আওয়াজ, কোন ভালো ইন্সট্রুমেন্টাল সাউন্ড তবে মনে রাখবেন এই আওয়াজটা শোনার সময় কোন কল্পনা করবেন না। হয়তো আপনি একটা স্যাড ইন্সট্রুমেন্টাল সাউন্ড শোনার সময় এক্স গার্লফ্রেন্ড বা বয়ফ্রেন্ডের কথা ভাবতে শুরু করে দিলেন, এমনটা করলে কিন্তু চলবে না। আপনার যে মনোযোগ সেটা শুধুমাত্র আওয়াজের দিকে থাকবে আর সেটাকেই ইনজয় করতে হবে। ধরুন 15 মিনিট আপনার মনোসংযোগ আওয়াজের দিকে আছে সেটা বৃষ্টির আওয়াজ বা পাখির আওয়াজ সেটাকে আপনি ইনজয় করলেন । এর ফলে আপনার মনোসংযোগ ক্ষমতা বাড়বে এইভাবে প্র্যাকটিস করতে করতে অন্য যে সমস্ত কাজে আপনার মন বসতো না সেখানেও মন বসবে। কারণ , এটা করার ফলে কোনো কাজে মনোযোগ তৈরি করার যে স্কিল বা কৌশল সেটা আপনার মধ্যে ধীরে ধীরে তৈরী হবে। ফলস্বরূপ, চঞ্চল মন শান্ত হবে কন্ট্রোল হবে। কোন কাজ করার সময় মনে এদিক অদিক চলে যেতো সেটা কন্ট্রোল হবে, এদিক-ওদিক কম যাবে ।
সো বন্ধুরা এই পদ্ধতিটি প্র্যাকটিস করে আপনার ক্ষেত্রে কতটা উপকারে আসলো তা কমেন্ট করে আমাকে জানাবেন??

0 Comments